সুদানে RSF-র বিরুদ্ধে নারীদের ওপর দশشتদায়ক অভিযুক্ত — পালানো নারীরাও নিরাপদ নয়

সুদানের নর্থ দারফুরের El‑Fasher শহর থেকে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া ১৯তম মহিলা শরণার্থীর দাবি — তাদের মধ্যে অন্তত দুইজন গর্ভবর্তী ছিলেন। তারা বলছেন, পালানোর সময় Sudan Doctors Network-র তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, RSF-র একজন বা একাধিক সদস্য তাদের ধর্ষণ করে।

এই অভিযোগ এসেছে এমন সময়, যখন El-Fasher নিয়ে RSF-র চলমান অভিযানের পর গত কয়েক সপ্তাহে দারফুরে নিরাপত্তাহীনতা, গণহত্যা, অনেকে গুলিবিদ্ধ বা হত্যা, এবং গণবিধ্বংসের ঘটনা নিয়ে পরপর অভিযোগ উঠেছে। পালিয়ে আসা এসব নারী এবং তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরা বলছেন — রাস্তায় বা শরণার্থী শিবিরেও নিরাপদ নয়।

আরও জানানো হয়েছে, এসব ক্ষতিগ্রস্ত নারীর সুস্থতার জন্য স্থানীয় মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। কিন্তু, এমন ভয়াবহ ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নয়; অনেকের মতে এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও যুদ্ধ বিধি লঙ্ঘন।

সুদানের বর্তমান গৃহযুদ্ধে — El-Fasher দখলের পর থেকে — সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর অত্যাচার, ধর্ষণ ও হত্যা, বসতি ভঙ্গ এবং গণবিভ্রাটের চিত্র লক্ষ্যণীয়। যারা পালাতে পেরেছেন, তাদের জীবন এখন শরণার্থী শিবিরে, নিরাপত্তাহীনতা, অনাহার, অসংগঠিত পরিবেশ আর মানসিক ট্রমার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে।

এ ধরনের ঘটনা শুধু ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য নয় — পুরো মানবতার জন্যই লজ্জার। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মানবাধিকার সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে এখন ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।
দায়ীদের শাস্তি ও অব্যাহত নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি। সুদান এবং দারফুর অঞ্চলের নিরাপত্তা, পুনর্বাসন এবং ন্যায় নিশ্চিত করতে এখনই আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ফিরে আনতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *