২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের পরিবারের পক্ষ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরির কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল এই স্মারকলিপি প্রদানের সময় আহত যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের ৭টি সুনির্দিষ্ট দাবির কথা তুলে ধরেন।
স্মারকলিপিতে উল্লিখিত দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে যথাযথ সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়া সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দলমত নির্বিশেষে অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও দলটিকে নিষিদ্ধ করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।
আহত যোদ্ধাদের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয় যে, গৌরনদী উপজেলায় মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে এবং বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে জনস্বার্থে বাসস্ট্যান্ডের গণশৌচাগারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যারা স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। স্মারকলিপি প্রদানের সময় আহত যোদ্ধা পরিবারের সদস্য আতিকুর রহমান, মো. শাকিল মোল্লা, ফাহিম আবদুল্লাহ ও শেখ আমিনা উপস্থিত ছিলেন।
