এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী বারো ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় পরবর্তী মাসের শেষে নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়ন যাচাই‑বাছাই, প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচনী প্রচারণা এবং অন্যান্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময়সূচি ধাপে ধাপে তফসিলে উল্লেখ থাকবে।
তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান ও সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। বক্তারা নিশ্চিত করেন যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
এই ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক দল, সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার অবসান ঘটিয়েছে এবং এখন দেশের নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সুযোগ পাবেন এবং ইতোমধ্যেই লক্ষাধিক প্রবাসী অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন।
এবার প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ভোটগ্রহণের ব্যালটগুলো আলাদা রঙের মাধ্যমে প্রতীকসহ ভিন্নভাবে ব্যবহৃত হবে, যাতে সাধারণ ভোটার সহজেই বুঝতে পারে কোন ভোটটি জাতীয় সংসদ ও কোনটি গণভোটের জন্য।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং কমিশনের আশপাশে আইন‑শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।
তফসিল ঘোষণার পর সরকার সাধারণ জনগণকে সকলরকম বেআইনি আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু থাকে।
