সম্প্রতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের এক প্রভাবশালী যুবনেতা ও ২০২৪ সালের ছাত্র‑জনিত বিদ্রোহের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মৃত্যুর খবর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি উত্তেজিত করেছে এবং এর ফলে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংসতা ঘটেছে।
ওসমান হাদি, একজন পরিচিত তরুণ নেতা, গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে গণআন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সম্প্রতি ঢাকায় এক শুটিং অভিযানের পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সাধারণ ছাত্র, যুবক এবং নাগরিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। প্রাথমিক বিক্ষোভ অনেক জায়গায় সহিংস রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা মিছিল করে পুলিশের সামনে দাবি জানায় দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ন্যায়বিচারের।
উত্তেজনার এক পর্যায়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কিছু সংবাদপত্র ও অফিস ভবনে হামলার চেষ্টা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
এই ঘটনার পর প্রশাসন শান্তি রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বিভিন্ন নাগরিক ও মানবাধিকার সংগঠন প্রশাসনের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।
দেশজুড়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি মহাসড়ক অবরোধ, শান্তিপূর্ণ ও সহিংস কার্যক্রমের মিশ্রণ দেখা গেছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক শ্রেণির মধ্যে এই ঘটনা ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
