গৌরনদীতে দখল ও নাব্যতা সংকটে টরকী-বাশাইল খাল, বাড়ছে অনাবাদি জমি

বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার টরকী-বাশাইল খাল দীর্ঘদিন ধরে খনন না হওয়ায় নাব্যতা হারাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, খালের ওপর নির্ভরশীল কৃষিজমি, জীবন ও প্রকৃতি বিপন্ন হচ্ছে।

খালটির পানি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে দখলদার ও ময়লা-আবর্জনা ফেলা, পাশাপাশি কৃত্রিম বাঁধ ও অপরিকল্পিত ব্রিজ নির্মাণ। ফলে বোরো মৌসুমে কৃষকরা সেচ বাবদ অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই কৃষকরা ধান চাষের পরিবর্তে মাছের ঘের বা অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।

সাধারণ মানুষও বলছেন, শীতকালে খাল সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়, বর্ষায় বৃষ্টির পানি জমিতে আটকে যায়, ফলে পানের বরজ ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া stagnant water-এর কারণে ম্যালেরিয়া ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়েছে।

সাবেক ইউপি সদস্য ছাদের আলী সরদার বলেন, “শৈশবে খালটি প্রবাহমান ছিল, মাছ ধরা হতো, পানি চলাচল ঠিক থাকত। এখন খননের অভাবে খাল মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে।”

বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, খাল ও নদীর পুনরায় খননের মাধ্যমে পানি সেচ কাজে ব্যবহার এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণ সম্ভব। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, আশা করা যাচ্ছে শীঘ্রই খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *