পশ্চিম আফ্রিকার বেনিনে রোববার সকালে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে একটি দল সেনা ঘোষণা দেয় যে তারা সরকার তুলে নিয়েছে; প্রেসিডেন্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে, সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং অবস্থান বদল হয়েছে। তারা দাবি করে, সেনা কর্ণেল পাসকেল টিগ্রি একটি সামরিক কমিটি গঠন করেছেন।
তবে একই দিনে, বেনিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কয়েকজন সেনা আগ্রাসন শুরু করেছিল, কিন্তু বেনিনের আইনশলিফোর্স এবং নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
আর্মি ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর তৎপরতায় এবং নিয়োগিক সেনাদের একযোগে প্রতিক্রিয়ার কারণে সেই অভ্যুত্থান অর্থহীন হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রপতি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, এমনকি যারা এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল — তাদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই ঘটনার পর, বেনিনের রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সেনা এবং সরকারের পক্ষে যারা ছিল, তারা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে অভ্যুত্থান থামায়। এর ফলে অভ্যুত্থান প্রাকৃতিক হয়ে ওঠেনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ রক্ষা পেল।
আঞ্চলিক সম্প্রদায় — পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর সংগঠনসহ, এবং মহাদেশীয় সংস্থা — অভ্যুত্থানপ্রয়াসকে নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং সংবিধানকে এটিকে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন।
এই ঘটনায় করে, বেনিন দেখিয়ে দিয়েছে যে, সামরিক অভ্যুত্থান এখনো পুরোপুরি সফল নয়; যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, loyal সেনারা এবং জনগণের সমর্থন একত্রিত থাকে, তাহলে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা সম্ভব।
তবে বিশ্বের চোখ এখন বেনিনে; কারণ এই ধরনের ঘটনা শুধু এক দেশের নয় — পুরো পশ্চিম আফ্রিকা ও এমনকি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও প্রভাব ফেলতে পারে।
