সিরিয়ার উপ-প্রেসিডেন্ট, ফারুক আল-শারা, সিরিয়ার জনগণকে শান্তি ও ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “ইসরায়েলের আগ্রাসন” এবং যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন সত্ত্বেও সিরিয়া তাদের আঞ্চলিক ও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখবে।
শান্তির জন্য সিরিয়ার প্রতিশ্রুতি
আল-শারা বলেন, সিরিয়া কখনোই সহিংসতা বা অস্থিরতাকে সমর্থন করবে না, বরং তাদের মূল লক্ষ্য হলো দেশটির অভ্যন্তরীণ শান্তি এবং জনগণের ঐক্য বজায় রাখা। তিনি আরও বলেন, “আমরা জানি, আমাদের শান্তি এবং একতা রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
এছাড়া, তিনি সিরিয়ার জাতীয় সুরক্ষা এবং মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করেছেন। সিরিয়ার সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা
আল-শারা আরও বলেন, “ইসরায়েলিরা সিরিয়ার সীমান্তে বারবার হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু সিরিয়া কখনোই তাদের জনগণের অধিকার ও জাতীয় সম্মান হারাবে না।” তিনি সিরিয়া এবং তার মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের আক্রমণ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
দেশীয় ঐক্য এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি
আল-শারা সিরিয়ার জনগণের প্রতি তার বার্তায় বলেন, “যতই চাপ এবং বাধা আসুক না কেন, সিরিয়ার সরকার তাদের জনগণের রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের উন্নতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে, আন্তর্জাতিক স্তরে সিরিয়ার এই দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘকালীন বৈরিতা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
ফারুক আল-শারা সিরিয়ার জনগণকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “শান্তি এবং ঐক্য আমাদের দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” সিরিয়ার সরকার জনগণের ঐক্য এবং নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে তাদের সামনে এখনও বহু বাধা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই অবস্থানে সিরিয়া যে বিশ্ব মঞ্চে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে কাজ করবে, তাও সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।
