ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের আয়ের উৎস: সোশ্যাল মিডিয়া ও টকশো থেকে ৩ লক্ষাধিক টাকা আয়

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের হলফনামায় আয়ের এক ব্যতিক্রমী চিত্র ফুটে উঠেছে। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, তার আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে ফেসবুক, ইউটিউব এবং বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ থেকে। এই খাতগুলো থেকে তিনি ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা আয় করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। পেশাগতভাবে আইনজীবী ও চাকরি থেকে তার বার্ষিক সম্মানীর পরিমাণ ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে আয় ৫ হাজার ৬০২ টাকা।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ব্যারিস্টার ফুয়াদের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ৭ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। তার ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং নগদ রয়েছে ২ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে ১৮ হাজার এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। হলফনামায় তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা ঋণখেলাপির তথ্য নেই। ৩ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন।

মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের মহোৎসব চলছে এবং একটি পক্ষ মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতা-কর্মীদের হয়রানি করার চেষ্টা করছে। এলাকায় বহিরাগত ও অস্ত্রধারীদের আনাগোনা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরির দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *