আল জাজিরার লাইভ ব্লগ থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ঘটেছে। নিচে এর সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো:
১. ট্রাম্প ও পুতিনের ফোনালাপ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে ফোনে কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস এই আলাপচারিতাকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে ট্রাম্পের ফ্লোরিডায় বৈঠকের পরপরই এই ফোনালাপটি অনুষ্ঠিত হলো।
২. নভগোরদে হামলার অভিযোগ ও শান্তি আলোচনা: রাশিয়া দাবি করেছে যে, ইউক্রেন ৯১টি ড্রোন ব্যবহার করে নভগোরদে প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবনে হামলার চেষ্টা করেছে। তবে ইউক্রেন এই অভিযোগকে মিথ্যা এবং শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার একটি অজুহাত হিসেবে বর্ণনা করে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাশিয়া সতর্ক করেছে যে, এই হামলার প্রেক্ষাপটে তারা তাদের আলোচনার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করবে।
৩. রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি: রাশিয়ার সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে তারা দোনেৎস্ক অঞ্চলের ডিব্রোভা (Dibrova) গ্রামটি দখল করেছে। এদিকে, রাশিয়ার হামলায় স্লোভিয়ানস্ক ও ওরিখিভ শহরে বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুতিন তার সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে এক বৈঠকে জানিয়েছেন যে, তারা দনবাস, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন দখলের পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘আস্থার সাথে’ অগ্রসর হচ্ছেন।
৪. জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া: জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে আলোচনার পর শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, তবে ইউক্রেনের ভূখণ্ডের অধিকার রক্ষার বিষয়ে অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি পুতিনের হামলার অভিযোগকে ‘আরেকটি মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
৫. রাশিয়ার নতুন আইন: ভ্লাদিমির পুতিন একটি নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন যা রাশিয়াকে বিদেশি বা আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উপেক্ষা করার ক্ষমতা দেয়। এটি ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে রুশ কর্মকর্তাদের বিচারের উদ্যোগের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
