বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে দেশের মানুষের প্রতি একতা ও সম্প্রীতির শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকার পূর্বাচলে আয়োজিত এক বিশাল গণসংবর্ধনায় তিনি ঘোষণা করেন যে, বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ধর্মের নয়, বরং এটি সমতল ও পাহাড়ের সব মানুষের।
লাখো মানুষের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “এই দেশ এ দেশের মানুষের। এখানে পাহাড় কিংবা সমতল—সব জায়গার মানুষের সমান অধিকার। এ দেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান—আমাদের সবার।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, ধর্ম বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে উস্কানি ও বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান তিনি। তারেক রহমান বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন যে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার জাতীয় দায়িত্ব।
১৭ বছর পর দেশে ফিরে তার এই বক্তব্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা ফুটে ওঠে। তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুসারীদেরও কঠোর নির্দেশ দেন যেন কোনোভাবেই শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয় এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না হয়। তারেক রহমানের এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা জাতীয় ঐক্যের ডাক হিসেবে দেখছেন।
