সম্প্রতি পশ্চিমা বিমান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ও ফ্লাইট বাতিলের মধ্য দিয়ে ভারতীয় বিমান পরিবহন খাত আবারও আলোচনায় এসেছে। দেশের বেসরকারী বিমানসংস্থা Indigo-র ওপর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের প্রতিদিনের ফ্লাইট-পরিচালনায় ১০ শতাংশ কাটা হবে। মূল কারণ — পরপর ফ্লাইট বাতিল এবং যাত্রীদের ভয়াবহ দুর্ভোগ।
গত সপ্তাহে Indigo প্রায় ৫০০ ফ্লাইট বাতিল করেছিলো; দিল্লি ও বেঙ্গালুরু ছিল সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত। এই দুর্ঘটনার জন্য প্রধানত ক্রু-রোস্টার ও সময়সূচি পরিকল্পনায় অপব্যবস্থাপনা এবং বিমানচালনায় অভাবগ্রস্ততা দায়ী করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিমানচালক-কর্মীদের বিশ্রাম ও কাজের সময় সীমিত করার কারণে বিমানসংস্থাগুলোর সক্ষমতায় কার্যকর পরিবর্তন করতে হয়।
এই বিপর্যয়ের পর, দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে— Indigo-র শীতকালীন সময়ের নির্ধারিত ফ্লাইট-সূচি থেকে ১০ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ করার। পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, এসব ফ্লাইটের পরিবর্তে স্লট (slot) অন্যান্য বিশ্বাসযোগ্য বিমানসংস্থাগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হবে, যাতে যাত্রীদের ভ্রমণে আর বেশি ব্যাঘাত না হয়। এছাড়া Indigo-র প্রধান কর্মকর্তাকে আহ্বান জানিয়ে পরিস্থিতি পরিষ্কার করার জন্য মিটিং ডাকা হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইট-সংখ্যা হঠাৎ কমানোর ফলে, Indigo-র নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় অস্থিরতা কমানোর চেষ্টা হলেও, অনেক যাত্রী হতাশ। একদিকে, ভ্রমণ দরিদ্রড়াহিত হবে, অন্য দিকে, যাত্রা পরিকল্পনা যারা আগে থেকে করেছিলো — তাঁদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তই হয়তো Indigo এবং ভারতের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর জন্য একটি শিক্ষা হবে — যে, যাত্রীর নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে হলে পরিকল্পনা, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং সময়সূচি বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দিতে হবে।
