ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্রের প্রথম ধাপের বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। গত ২ ও ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৪৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ১০ জনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
শনিবার ৩ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে বরিশাল-১, ২ ও ৩ আসনের মনোনয়নগুলো পরীক্ষা করা হয়। এদিন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা গেছে। অঙ্গীকারনামায় দলীয় প্রধানের স্বাক্ষর না থাকা এবং ভোটার তালিকায় অসংগতির অভিযোগে জাতীয় পার্টির দুইজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে স্বতন্ত্র এক প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল হয়েছে এবং আরও দুটি মনোনয়ন স্থগিত রয়েছে। তবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল-২ (উজিরপুর–বানারীপাড়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন না থাকায় জাসদ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
এর আগে শুক্রবার ২ জানুয়ারি বাছাইয়ের প্রথম দিনে বরিশাল সদর (বরিশাল-৫) আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ কে এম মাহবুব আলম এবং এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। এছাড়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মুসলিম লীগের প্রার্থী এবং বরিশাল-৫ আসনে বাসদ প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর মনোনয়নপত্র হলফনামায় স্বাক্ষর ও তথ্যে অসংগতির কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানিয়েছেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন। স্থগিত হওয়া মনোনয়নগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে রোববার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
