দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে অবশেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টায় তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাঁর সাথে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাঁর বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
তারেক রহমানের আগমনে বিএনপির তিন দিনের কর্মসূচি:
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরেন:
-
বৃহস্পতিবার (আগমনের দিন): দুপুরে বিমানবন্দরে নামার পর জ্যেষ্ঠ নেতারা তাঁকে স্বাগত জানাবেন। এরপর তিনি জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) সংস্থালনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। সেখান থেকে অসুস্থ মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন এবং সবশেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।
-
শুক্রবার: জুমার নামাজের পর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
-
শনিবার: এদিন তিনি তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কাজ সম্পন্ন করবেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শহীদ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।
তারেক রহমানের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
