বেলারুশ সরকার ১২৩ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির মানবাধিকারকর্মী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত আলেস বিয়ালিয়াতস্কি। দীর্ঘদিন ধরে আটক থাকা এসব বন্দির মুক্তিকে দেশটির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে বেলারুশ এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। বন্দিদের মুক্তির ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্র বেলারুশের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
আলেস বিয়ালিয়াতস্কি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছিলেন। তার মুক্তিকে বেলারুশের মানবাধিকার পরিস্থিতিতে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে মুক্তিপ্রাপ্ত অন্য বন্দিদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক ও নাগরিক অধিকারকর্মীরাও রয়েছেন।
তবে বিরোধী পক্ষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এখনও বহু রাজনৈতিক বন্দি কারাগারে রয়েছেন। তারা সকল বন্দির নিঃশর্ত মুক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বন্দিমুক্তি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বেলারুশ ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে। তবে ভবিষ্যতে সরকার কী ধরনের রাজনৈতিক সংস্কার নেয়, তার ওপরই নির্ভর করবে এই অগ্রগতির স্থায়িত্ব।
