থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষে এক থাই সৈন্য নিহত হওয়ার পর থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
থাই সামরিক বাহিনীর দাবি, কম্বোডিয়ার দিকে থেকে প্রথমে গুলি চালানো হয়, যার ফলে তাদের সৈন্য হতাহত হয়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তারা “প্রতিরক্ষামূলক বিমান অভিযান” পরিচালনা করে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল কম্বোডিয়ার সামরিক পোস্ট এবং ভারী অস্ত্র অবস্থান।
অন্যদিকে কম্বোডিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে যে থাইল্যান্ডই সীমান্তের ভেতরে ঢুকে প্রথম আক্রমণ চালিয়েছে। তারা দাবি করেছে, থাই বাহিনী একতরফা হামলা করে দুই দেশের মধ্যে স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।
শান্তিচুক্তির ওপর নতুন হুমকি
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়। এর আগে কয়েক মাসব্যাপী সংঘর্ষে প্রায় ৪৮ জন নিহত এবং তিন লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
সাম্প্রতিক এই বিমান হামলার ফলে সেই শান্তিচুক্তি ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক
সীমান্তবর্তী উভয় দেশের হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে এবং সিভিলিয়ানদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে
বিশ্লেষকদের মতে, উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ এই সংঘর্ষকে আরও জটিল করে তুলছে। যদি দুই দেশ দ্রুত আলোচনায় না বসে, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
