ঢাকায় হাদির গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ ও ন্যায়ের দাবি তোলেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জনসমুদ্র তৈরি করে প্রতিবাদে অংশ নেন এবং কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
প্ল্যাকারদের বক্তব্য ছিল, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্নে পরিণত হয়েছে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নিরাপত্তা থাকা উচিত নয়, বরং সব জায়গায় যেন সুশৃঙ্খল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তারা বলেছিলেন, সেই ঘটনায় যারা দোষী তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত মিছিল করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন যাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি চাপ বাড়ানো হয়। অনেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যেমন শিক্ষার জায়গা, তেমনি এটি নিরাপদ থাকার জায়গা হওয়া উচিত এবং যদি এমন হিংসার ঘটনা শিক্ষা সম্প্রদায়ের কাছাকাছি ঘটে, তাহলে সমাজে স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত হবে।
এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, তারা শুধু এক ব্যক্তির জন্যই নয়, বরং দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য একত্রিত হয়েছেন। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত করা হোক এবং সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, তার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনও পরিস্থিতি নজরে রেখেছে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে আচরণ করতে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা দিয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলেন, তারা বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য শোনার জন্য প্রস্তুত এবং ঘটনা সম্পর্কে সুষ্ঠু তদন্তে সহায়তা করবে।
সার্বিকভাবে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কাজ করছে, তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও দাবিগুলো এখনো অনুভূত হচ্ছে এবং তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
