আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও জনসাধারণের মুক্ত চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রশাসন ও পুলিশের দায়িত্ব বলে প্রত্যয়ন করা হয়েছে। সরকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, যারা প্রার্থী তারা স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালাতে পারবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে ভোটকেন্দ্রগুলোর দিকে যেতে পারবে, এর জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে সকল জায়গায় নিরাপত্তার তৎপরতা জোরদার করা হবে। জনসমাবেশ, পথসভা ও বিভিন্ন নির্বাচনী কর্মসূচিতে যাতে কোন ধরনের বাধা, হিংসা বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে ব্যাপারে তারা কাজ করবে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে তাদের দৈনন্দিন কাজ, যাতায়াত ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও বলেছেন, বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠু ও অবাধভাবে চলতে পারে, তার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কোনো শিথিলতা হবে না। তারা জানিয়েছেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো যাতে দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে, সে দিকেও তারা নজর রাখবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি যারা নির্বাচনে আসছেন তাদের ওয়ার্ড, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কর্মসূচি নিরাপদভাবে নেওয়ার জন্য পুলিশ ও প্রশাসন একযোগে কাজ করবে। এই প্রস্তুতিগুলো সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও প্রার্থীদের স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচনী কর্মকাণ্ড অবাধভাবে চলতে পারে।
সার্বিকভাবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো জনগণের জীবনযাত্রায় অসুবিধা সৃষ্টি না করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
